
খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসিত গ্রুপ)-এর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে রামগড় ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী তৈকাথান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এতে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসিত গ্রুপ)-এর সদস্য ববিন ত্রিপুরা নিহত হয়েছেন এবং সুনিল ত্রিপুরা নামের অপর এক সদস্য আহত হয়েছেন। নিহত ববিন ত্রিপুরা রামগড়ের মাজারা টিলা এলাকার বাসিন্দা। আহত সুনিল ত্রিপুরা রামগড়ের দাতারামপাড়ার কমল বিকাশ ত্রিপুরার ছেলে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনী একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী প্রেমতলা এলাকায় অভিযানে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাল্টা গুলি চালায়। এতে একজন নিহত হন এবং আরও একজন আহত হন।
অপরদিকে, দুপুরের দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় সশস্ত্র সংগঠনের গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার। তিনি জানান, দুপুর পৌনে ১টার দিকে বাবুছড়ার মাথা মুড়া এলাকায় একটি দোকানে বসে দোকানদারের সঙ্গে কথা বলার সময় কালো পোশাক পরিহিত পাঁচজন ব্যক্তি অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সুজন চাকমা নিহত হন। তাঁর নামে থানায় চার থেকে পাঁচটি মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, রামগড়ের ঘটনাকে মিথ্যা, বানোয়াট ও পরিকল্পিত উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা। তিনি আটক ইউপিডিএফ সদস্যকে মুক্তির দাবি জানান।