
রংপুরের কাউনিয়ায় সুরেশ্বরী মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সাত সদস্যের মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
যাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল
হাইকোর্ট যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন, তারা হলেন মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া।
অন্যদিকে খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন—জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০) এবং চান্দু মিয়া (২০)।
আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন।
২০১৮ সালে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড
এর আগে ২০১৮ সালে রংপুরের মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। একই রায়ে আরও ছয়জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার ওই রায় ঘোষণা করেন।
সেসময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি ছিলেন—মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, ইছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।
যেভাবে হত্যা করা হয় রহমত আলীকে
মামলার ঘটনাটি ঘটে ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে। ওই রাতে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে গলা কেটে হত্যা করেন জেএমবির সদস্যরা।
ঘটনার পর নিহত রহমত আলীর ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা করেন।
মামলার বিচার শেষে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।