
বাংলাদেশ ও ইতালির সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি অব স্টেট মাত্তেও পেরেগ্রা দি ক্রেমনাগোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা সেনাসদরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাব্য দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৈঠকে আন্ডারসেক্রেটারি অব স্টেট বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতালি সরকারের সম্ভাব্য সহযোগিতা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় তিনি সুদানের আবেই এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে শহীদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানান। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।
কঙ্গো মিশনে যাওয়ার আগে বিমানবাহিনী প্রধানের দিকনির্দেশনা
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অ্যাভিয়েশন ট্রান্সপোর্ট ইউনিট বানাটু-১৪ (মনুস্কো) কন্টিনজেন্টে মোট ৬২ জন সদস্য প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে কঙ্গোগামী শান্তিরক্ষা কন্টিনজেন্টের সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শৃঙ্খলা, সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও দেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও উজ্জ্বল করার জন্য সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মিশনের সাফল্য কামনায় আয়োজিত একটি বিশেষ মোনাজাতে তিনি অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিমানবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, ঢাকার এয়ার অধিনায়কসহ বিমান সদর ও বিভিন্ন ঘাঁটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।