
সরকার জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণ ও দেশের স্বার্থে কাজ শুরু করেছেন। নির্বাচনের পরও তার কর্মকাণ্ডে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দেশের উন্নয়নের প্রত্যয় স্পষ্ট হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশের চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২২ শতাংশে উন্নীত হবে। সরকার জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নে কাজ করছে। একটি উন্নত, মানবিক ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ড্যাবের সদস্যরা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক আন্দোলন ও দেশ গঠনের নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য তিনি চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানান।
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আগমনের সময় তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫-১৬ বছর ধরে রাজনৈতিক আন্দোলনে যারা ভূমিকা রেখেছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদেরও ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ভয়াবহ স্বৈরশাসনের পর দেশে ফিরে তারেক রহমান জনগণের কল্যাণ ও দেশের স্বার্থে কাজ শুরু করেছেন। নির্বাচনের পরও তার কর্মকাণ্ডে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দেশের উন্নয়নের প্রত্যয় স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। উন্নয়ন, মানবিকতা ও সাম্যের ভিত্তিতে একটি নতুন রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে যখনই স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পরিবেশ তৈরি হয়, তখনই একটি মহল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ কারণে সমাজের শিক্ষিত ও গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণির মানুষকে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।
‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই’—মন্তব্য করে তিনি বলেন, উন্নয়ন, মানবিকতা ও সাম্যের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, চিকিৎসক নেতারা, মন্ত্রী এবং ড্যাবের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।