
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটটি দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
রোববার (৫ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টে এই রিট দায়ের করা হয় বলে জানা যায়।
এদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে পর্যায়ক্রমে এসব আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন জানায়, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পাঁচ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিলের জন্য ১ সেট মূল কাগজপত্র ও ৬ সেট ফটোকপি (মেমোরেন্ডাম আকারে) জমা দিতে হবে।
সারাদেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে আপিল গ্রহণের জন্য পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
রংপুর: বুথ-১ (আসন ১-৩৩)
রাজশাহী: বুথ-২ (আসন ৩৪-৭২)
খুলনা: বুথ-৩ (আসন ৭৩-১০৮)
বরিশাল: বুথ-৪ (আসন ১০৯-১২৯)
ময়মনসিংহ: বুথ-৫ (আসন ১৩০-১৬৭)
ঢাকা: বুথ-৬ (আসন ১৬৮-২০৮)
ফরিদপুর: বুথ-৭ (আসন ২০৯-২২৩)
সিলেট: বুথ-৮ (আসন ২২৪-২৪২)
কুমিল্লা: বুথ-৯ (আসন ২৪৩-২৭৭)
চট্টগ্রাম: বুথ-১০ (আসন ২৭৮-৩০০)
শুনানি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময়সূচি ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবে, তবে পরিস্থিতি ও আপিলের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে। শুনানিতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার প্রতিনিধি ও আপিলকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে।
শুনানি শেষ হলে আপিলের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে প্রদর্শিত হবে এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। এছাড়া নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন ভবন থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। ফলাফল বিতরণের সময়সূচি হলো: ১০-১২ জানুয়ারি শুনানির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩-১৫ জানুয়ারি শুনানির রায় ১৫ জানুয়ারি, এবং ১৬-১৮ জানুয়ারি শুনানির রায় ১৮ জানুয়ারি।