
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীর তিনটি আসনে জমা ৩৫টি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১২টি বাতিল ও ১টি স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ফেনী-১ আসনে ১০টি মনোনয়নপত্র যাচাই করে ১টি স্থগিত, ৩টি বাতিল এবং ৬টি বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফেনী-২ আসনের ১৪টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৫টি বাতিল ও ৯টি বৈধ হয়েছে। ফেনী-৩ আসনে ১১টি মনোনয়নের মধ্যে ৪টি বাতিল ও ৭টি গৃহীত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ফেনীর তিন আসনে ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের সকলের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
ফেনী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, ফেনী-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াকুব নবী ভূঁইয়া, মো. ইসমাইল ও এসএম হুমায়ুন কবির পাটোয়ারীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ফেনী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ মাহমুদের মনোনয়নপত্রে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের ঘাটতি ও যথাযথ নথির অভাবে বাতিল হয়েছে। এছাড়া মাহবুবুল হক রিপনের মনোনয়নপত্রও ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সমস্যার পাশাপাশি চলমান ঠিকাদারি প্রকল্পের কারণে বাতিল করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) ফেনীর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসেন বলেন, “জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট ভোটারের এক শতাংশ স্বাক্ষর দাখিল করতে হয়। এটি অত্যন্ত কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ। ফেনীর তিনটি আসনে সব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া দুঃখজনক। প্রার্থীদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানাই।”