.jpg)
দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমেছে। আগের মাস জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। একই সঙ্গে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে।
মঙ্গলবার মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে। জুনে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশীয় পয়েন্ট।
অন্যদিকে, জুলাইয়ে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। ফলে এ খাতে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশীয় পয়েন্ট।
বিবিএসের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেশি ছিল। জুলাইয়ে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছিলেন, অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।