
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। সফরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।
গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে বাংলাদেশের নতুন ভিশন ও সরকারের অগ্রাধিকারগুলো বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন তিনি।
সফরকালে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সাইডলাইন বৈঠকেও অংশ নেবেন তিনি। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান হুমায়ুন কবির।
যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়া। এর পাশাপাশি সাইডলাইনে বিভিন্ন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেগুলোর সিদ্ধান্ত সাধারণত সফরের একেবারে শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত হয়।
হুমায়ুন কবির বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর যাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা বৈঠক করবেন, তা সাংবাদিকদের জানানো হবে। গোপনে কোনো বৈঠক হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে রোহিঙ্গা সংকটও বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সংকটের সমাধানে বিশেষ একটি সাইডলাইন বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।