
আগামী এক বছরের মধ্যে বরাদ্দপ্রাপ্তরা যেন ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।
তিনি বলেন, “অনেক বছর ধরে এ প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি ছিল না। তবে বর্তমানে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের অভ্যন্তরে থানা, স্কুল, হাসপাতাল ও ইটিপি (বর্জ্য শোধন) সেন্টার নির্মাণের কাজ চলমান আছে। একই সাথে অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের কাজও দ্রুত শুরু হবে। প্রকল্প এলাকা আলোকিত করার জন্য স্ট্রিট লাইট এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।”
বুধবার ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বাস্তবায়িত ‘ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে রাজউকের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, মানুষের আবাসন স্বপ্ন দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন শেষ করে দ্রুত এলাকাটিকে বসবাসের উপযোগী করে তুলতে হবে।
প্রকল্পের নিরাপত্তা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় স্থায়ী থানা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে সাময়িকভাবে স্থানীয় থানার পাঁচটি টহল টিম সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব পালন করছে।
পরিদর্শনকালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ঝিলমিল প্রকল্পে নির্মাণাধীন স্কুল, হাসপাতাল ও থানা ভবন এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে প্রকল্পের সাইট অফিসে প্রকল্প পরিচালক মো. আমিনুর রহমান চলমান কাজের সার্বিক অগ্রগতি চিত্র উপস্থাপন করেন। এ সময় প্লট বরাদ্দপ্রাপ্তদের সংগঠন ঝিলমিল সোসাইটির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ মো. মোশারফ হোসেন।
রাজউকের এই প্রকল্প পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন—গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, রাজউকের সদস্য শেখ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এরাদুল হক, কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. উমর ফারুক এবং চিফ টাউন প্লানার মো. আশরাফুল ইসলামসহ রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।