
কক্সবাজারের উখিয়ায় একই দিনে সাগরপাড়ের পৃথক এলাকা থেকে তিনটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জালিয়াপালং ইউনিয়নের মাদারবুনিয়া ও মনখালী এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান।
প্রথম মরদেহটি পাওয়া যায় মাদারবুনিয়ায়
পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাদারবুনিয়া নৌকার ঘাট থেকে প্রায় ৪০০ গজ দক্ষিণে সাগরপাড়ে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
পরে তারা বিষয়টি ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে ফোন করে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাগরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
মনখালী থেকে উদ্ধার আরও দুটি মরদেহ
এর কয়েক ঘণ্টা পর একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মনখালী এলাকায় সাগরপাড় থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিকেল পৌনে ৩টার দিকে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
এই দুজনের মরদেহেরও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে পুলিশ।
ট্রলারডুবির নিখোঁজদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার সাগরপাড় থেকে উদ্ধার করা তিনজনের কারও পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এর মধ্যে গত ২১ সেপ্টেম্বর টেকনাফ সাগরে রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় কোস্টগার্ড ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। তবে কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তাই উদ্ধার হওয়া তিন মরদেহের মধ্যে টেকনাফে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের কেউ আছেন কি না, তা যাচাই করছে পুলিশ।
‘পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে’
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, সাগরপাড় থেকে উদ্ধার করা তিনটি মরদেহের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, ‘টেকনাফে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের কেউ এসব মরদেহের মধ্যে আছেন কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।’
ওসি আরও জানান, মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করার পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।