
সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, তিনি কখনো জামায়াতে ইসলামী করেননি। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি এ মন্তব্য করেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সেখানে আমি সবসময় যাই না, মাঝে মাঝে খেতে যাই। একদিন একটু রিল্যাক্স, ছুটির দিন ছিল শনিবার। একটা টেবিলে দেখি যে ৪-৫ জন আইনজীবী বসেছেন, তার মধ্যে বিএনপির আছে, জামায়াতের আছে, আওয়ামী লীগেরও আছে। আমি তাদের সঙ্গে গিয়ে কুশল বিনিময় করে বসলাম।’
তিনি বলেন, ‘একটু পরে আওয়ামী লীগের আরও দুজন আইনজীবী আসে। তো আমার টেবিলে যারা আছেন তারা বলছে, “ভাই আসেন, বসেন আমাদের সাথে”। সে ইশারায় ওই আওয়ামী লীগের যে আছে তাকে বলছে, “ওই যে...”। মানে আমার দিকে দেখাচ্ছে, “ওই যে আছে একজন। উনি থাকলে তো এখানে বসা যাবে না, জামায়াত।”’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘তার মানে প্রগতিশীলতার কথা বলে, ফ্যাসিজম তার অন্তরে প্রোথিত যে আরেক দলের এক দল লোক থাকলে ওই টেবিলে খেতেই পারবে না। এই যে ট্যাবু, এই জায়গাগুলো থেকে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে যেমন বের করতে হবে, শিক্ষানবীসদেরকেও বের করতে হবে।’
নারীদের মসজিদে প্রবেশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রাসুলের মজলিসে, মসজিদে নারীরা গিয়েছেন। হাতে হাত রেখে বায়াত নিয়েছেন, কথা বলেছেন, প্রশ্ন করেছেন, উপহার দিয়েছেন, মসজিদে নববীতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের কয়টা মসজিদে নারীদের জন্য নামাজের জায়গা আছে? অনেক মসজিদের গেটে লেখা আছে “নারীদের প্রবেশ নিষেধ”। কোথায় আপনি অথরিটি পেয়েছেন, কে আপনাকে এই ক্ষমতা দিয়েছে? প্রত্যেকটা মসজিদে নারীর ব্যবস্থা থাকতে হবে। বাথরুমের ব্যবস্থা থাকতে হবে, ওজুখানার ব্যবস্থা থাকতে হবে, তার প্রেয়ারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।’