
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগির পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল। দ্বিতীয় ম্যাচে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের স্বচ্ছন্দ জয় তুলে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন ম্যাথিউস কুনহা, আর একটি গোল এসেছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পা থেকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ১২তম মিনিটে রাফিনিয়া বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। এরপরও একের পর এক আক্রমণে হাইতির রক্ষণভাগকে চাপে রাখে সেলেসাওরা।
অবশেষে ২৩তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিড প্রথম প্রচেষ্টা ঠেকালেও ফিরতি বলে সুযোগ নষ্ট করেননি ম্যাথিউস কুনহা। আলতো শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
প্রথম গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ৩৬তম মিনিটে আবারও গোল করেন কুনহা। মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত একটি আক্রমণ গড়ে তোলেন ভিনিসিয়ুস। ডিফেন্স চেরা নিখুঁত থ্রু পাস পেয়ে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে যান কুনহা এবং বাঁ পায়ের জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ায় ব্রাজিল। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে একা পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে পাঠান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার এই গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে প্রথম ড্রয়ের হতাশা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে আনচেলত্তির শিষ্যরা। ম্যাচজুড়ে আক্রমণ, বলের দখল ও সুযোগ তৈরিতে প্রতিপক্ষের ওপর স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে ব্রাজিল।