
আগামী ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লং মার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি জোরদার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পরে কুষ্টিয়ায় সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে লং মার্চ শেষ হবে।
রোববার (৪ অক্টোবর) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লং মার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির আহ্বায়ক এবং দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৩১ অক্টোবর শনিবার সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের পর লং মার্চ শুরু হবে। ঢাকা থেকে খুলনা ও যশোর হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির ইতি টানা হবে।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন—এসব দাবিতে লং মার্চের আয়োজন করছে ১১ দলীয় ঐক্য।
এ ছাড়া দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিও কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা লং মার্চে নেতৃত্ব দেবেন বলে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রস্তুতিসভা আয়োজন, গণসংযোগ, প্রচারপত্র বিতরণ, প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
লং মার্চ শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মো. সেলিম উদ্দিন ও ড. রেজাউল করিমসহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।