.png)
কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বার আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ফেসবুক লাইভে এসে নিজের নির্বাচনি এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এ বিষয়টি নিয়ে তার প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ প্রশংসা করেন মাহমুদা মিতু।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম এমপি জনগণের কাছে হিসাব দিচ্ছেন। পাশাপাশি একজন এমপির কী কী কাজ, জনগণকে একজন এমপি কী কী সেবা দিতে বাধ্য, সেটা সে পেনসিল দিয়ে বোর্ডে লিখে লিখে দেখাচ্ছে।
মাহমুদা লেখেন, যারা আজকে হাসনাতের লাইভ দেখেননি দেখে নিন। এমন এমপি আগে কখনো কেউ দেখেছেন? এভাবে ইয়াং জেনারেশন এগিয়ে এলে দেশ বদলাবেই, ইনশাআল্লাহ। জেনজিরা এমপি, মন্ত্রী হলে কি হয়ে দেখে নিন।
একই রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এরপর তিন সপ্তাহে তিনি মূলত এলাকার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন সরকারি সেবা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার কাজ করছেন।
দেবিদ্বারের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, উপজেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে রাস্তাঘাটের দুরবস্থা। বর্তমানে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) তত্ত্বাবধানে বেশকিছু সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণকে অবহিত করেন।
বর্ষার আগেই অনেকগুলো কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অন্য খারাপ রাস্তাগুলোও পর্যায়ক্রমে সংস্কার করা হবে।
তিনি বলেন, কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ নিয়ে ধীরগতিতে কাজ করার প্রবণতা থেকে ঠিকাদারদের বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ঈদ উপলক্ষে দেবিদ্বার পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ভিজিএফ কার্ডের তথ্যও তুলে ধরেন এ সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, পৌরসভায় ৩ হাজার ৮১টি এবং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে মোট ২০ হাজার ৬৩৫টি কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ ঘোষণা দেন, দেবিদ্বারের সব সরকারি কার্যক্রমের তথ্য ‘জবাবদিহিতা’ নামের একটি ফেসবুক পেজে নিয়মিত প্রকাশ করা হবে, যাতে জনগণ বরাদ্দ ও প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারেন। প্রতিটি কর্মকাণ্ড নিয়ে জনগণের কাছে তিনি তার জবাবদিহিতা অব্যাহত রাখবেন বলে ঘোষণা করেন এই সংসদ সদস্য।