
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজন কিংবা বিভিন্ন দিবস উদ্যাপনে লাউডস্পিকার, আতশবাজি ও জুয়া নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সৃষ্ট শব্দদূষণ, জনভোগান্তি এবং সংঘর্ষের ঘটনায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে জুয়া প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তাও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আট আইনজীবীর করা জনস্বার্থে রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
রুলের জবাব দিতে স্বরাষ্ট্রসচিব, যুব ও ক্রীড়াসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনকারী আইনজীবীরা হলেন— মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, ইয়াসিন আলফাজ, সাইফুল্লাহ খালেদ, মোহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম, মো. রায়হান সোবহান, মো. আবু দাউদ নিজাম এবং শেখ শরিফ উদ্দিন ফিরোজ।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর মোহাম্মদ আজমী ও ইউনুস আলী রবি।