
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নতুন মহাপরিচালক (গ্রেড-১) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল ৩টায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি বিদায়ী মহাপরিচালক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আব্দুস ছালাম খানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
বুধবার (১ জুলাই) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২১ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ১৯৯৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি সেন্ট্রাল শরিয়াহ বোর্ড ফর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের মহাসচিব এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসির শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বিভিন্ন আর্থিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শরিয়াহ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।
একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসায় শায়খুল হাদিস হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।
দায়িত্ব গ্রহণের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আগারগাঁও কার্যালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক পরিচিতি সভায় অংশ নেন নবনিযুক্ত মহাপরিচালক। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আরও কার্যকর, আধুনিক, সেবামুখী এবং জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরে শৃঙ্খলা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও সরকারি বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণের সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি নতুন কর্মপরিকল্পনা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে জনগণের আরও আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান বক্তব্য রাখেন। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।