.png)
পাইলটদের লাইসেন্স ইস্যু সংক্রান্ত জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলার মধ্যেই বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর পরিচালক (পিইএল, এক্সাম অ্যান্ড ট্রেনিং) সাইফুল হক শাহকে তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) বেবিচক থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বেবিচকের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. তিরান হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে সাইফুল হক শাহকে বেবিচকের সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, তিনি পাইলটদের লাইসেন্স প্রদান, পরীক্ষা পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে ছিলেন। সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কয়েকজন পাইলটের লাইসেন্স ইস্যু নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, ১২ মার্চ থেকেই তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। পাশাপাশি তার নৈমিত্তিক ছুটির হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
পিইএল, এক্সাম অ্যান্ড ট্রেনিং শাখার কর্মকর্তারা সাধারণত পাইলট, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার, ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন এভিয়েশন পেশাজীবীর লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া লাইসেন্সের জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন ও তদারকি, অনুমোদিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট নথি সংরক্ষণও তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
বেবিচকের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চারজন পাইলটকে জালিয়াতির মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। এ ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বেবিচক—দুই প্রতিষ্ঠানে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে সাইফুল হক শাহের নামও উঠে এসেছে।
তবে এই অভিযোগের কারণেই তাকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে কি না—এ বিষয়ে বেবিচক আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য দেয়নি।