
ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলেও বর্তমানে দেশে খাদ্যপণ্য ও জ্বালানি সরবরাহে কোনো সংকট দেখা দেবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকায় দেশের বাজারে দামেও কোনো প্রভাব পড়বে না।
সোমবার (২ মার্চ) ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ইরান-ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে জাহাজ ভাড়া বেড়ে যাবে, যার প্রভাব পড়তে পারে পণ্যের মূল্যে। তবে এই মুহূর্তে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্য পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই শঙ্কার কিছু নেই।
এদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার সম্প্রতি নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতে বাংলাদেশে আসেন। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১৮ মাস ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল, তা ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠা যাবে এই ধরনের বৈঠকের মাধ্যমে। এতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন গতি পাবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্ডার হাট ও বেশ কয়েকটি স্থলবন্দর বর্তমানে বন্ধ থাকলেও, বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে এগুলো সামনে চালু করা হবে। তবে বৈঠকে ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
আর ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত। ভিসা কার্যক্রমও দ্রুত স্বাভাবিক হবে।