
শিক্ষা ব্যবস্থায় আর পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই—এবার বড় লাফ দেওয়ার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, অতীতে নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল, ভবিষ্যতেও সেই ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি হবে না।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর পরীক্ষায় নকল বন্ধ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা গিয়েছিল। ২০০১ সালে দায়িত্ব পাওয়ার পরে নকল প্রতিরোধ হয়েছিল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়েছিল। সেগুলো চলে গেছে, আর পুনরাবৃত্তি হবে না। আমাদের এডুকেশন সেক্টরে শুধু হাই জাম্প না, পোল ভল্ট জাম্প দিতে হবে।”
শিক্ষা খাতকে সময়োপযোগী করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে। “আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে হবে। আমাদের প্রতিযোগিতা করতে হবে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সাথে। গ্লোবাল ভিলেজে আমরা ব্যাকডেটেড কোনো এডুকেশন নিয়ে থাকতে পারব না। এডুকেশন এখন কোনো ডোমেস্টিক কমোডিটি না, ইটস অ্যান ইন্টারন্যাশনাল কমোডিটি।”
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, “আমাদের ন্যানো টেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবোটিক্স—এই সবকিছু ব্যবহার করতে হবে। আমাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে, ডিজিটাল লিটারেসি লাগবে।”
কারিকুলাম নিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, পুরো পরিবর্তন নয়, বরং পর্যালোচনা করা হবে। একই সঙ্গে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে অনিয়মের সুযোগ থাকবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।