
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করেও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোটায় ২৯তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে বড় ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ১৩ সদস্য, এক সাবেক সচিব এবং চাকরি পাওয়া ছয় ক্যাডার কর্মকর্তাসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানায়, অনুমোদিত মামলাগুলোর আসামি তালিকায় রয়েছেন পিএসসির সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামা, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানম এবং মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান।
এ ছাড়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ.ই.ম নেছার উদ্দিন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. লোকমান আহমদ।
চাকরি পাওয়া ছয় ক্যাডার কর্মকর্তার মধ্যে আছেন রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জল হোসেন, হালিমা খাতুন, মিল্টন আলী বিশ্বাস, নাহিদা বারিক ও খোরশেদ আলম।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়োগ ও পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এসব অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। অনুসন্ধান টিমের সুপারিশের ভিত্তিতে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।