
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নাকচ করছেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেলের দাম বৃদ্ধি ও আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে চাপের মধ্যে ফ্লোরিডায় এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি ইরানে আবারও সীমিত আকারের অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আবারও ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মতো ছোট আকারের সামরিক অভিযান চালাতে পারে। তবে সম্ভাব্য অভিযানের সময় বা ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে অভিহিত করেছে।
এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, চাইলে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে। তবে সংঘাত দ্রুত শেষ করা হবে, নাকি ধীরে ধীরে স্তিমিত হতে দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। চলতি মাসের শুরুতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন করে হামলা চালানো হবে না বলেও জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে, তুরস্কে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত টম বারাক বলেছেন, চলতি সপ্তাহান্তেই ইরানে হামলা চালানো হতে পারে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সম্ভাবনার কথা জানান। একই সঙ্গে বারাক বলেন, ট্রাম্প আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী এবং কয়েক মাস ধরেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে, আগামী মঙ্গলবার নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাওয়া ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ইরানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে চালানো হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ।