.png)
ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা শর্তের ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, আর একটি বাদে প্রায় সব দাবিই মেনে নিয়েছে ইসরাইল—এমন খবরে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ইরানের দেওয়া শর্তগুলোর বেশিরভাগই ইসরাইলের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় এই চুক্তি নিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়ছে।
যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জনরোষের মুখে পড়েছেন। সমালোচকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে তার বলার মতো কিছুই ছিল না এবং তারা ইরানের সঙ্গে হওয়া এই সমঝোতাকে কার্যত পরাজয় হিসেবেই দেখছেন।
ইসরাইলের বিরোধী দলের নেতা ইয়ার ল্যাপিড চুক্তিটিকে ‘রাজনৈতিক বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ইসরাইলকে আলোচনাতেই রাখা হয়নি।’
ল্যাপিড আরও দাবি করেন, সামরিক বাহিনী তাদের লক্ষ্য পূরণ করেছে এবং সাধারণ মানুষ দৃঢ় অবস্থান দেখিয়েছে। তবে তার অভিযোগ, নেতানিয়াহু ‘রাজনৈতিক’ ও ‘কৌশলগত’—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছেন এবং এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
এদিকে ইসরাইলের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নিৎজান শাপিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ রাতে কি কোনো ইসরাইলি কর্মকর্তা বা সূত্র জনগণের সঙ্গে কথা বলবে? তারা কি কিছু লিখবে? কোনো আপডেট দেবে? নাকি আমরা এখনো ইরানের সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ এবং পাকিস্তান সরকারের মুখপাত্রের বক্তব্য থেকেই পরিস্থিতি জানতে থাকব?
সাধারণ জনগণের মধ্যেও এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে। অনেকের মতে, ইরান তার সামরিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ন রেখেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে তাদের অবস্থানে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে পারেনি।