
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর দূতাবাস ভবন থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন এক সাংবাদিক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা আরবি-এর এক প্রতিবেদকের তথ্যে জানা যায়, হামলার পর দূতাবাস এলাকা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না—তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। যুদ্ধ শুরুর পরপরই সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসেও একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রভাব সরাসরি পড়েছে প্রতিবেশী দেশ ইরাক-এ। বিশেষ করে দেশটির ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে, যার ফলে সংঘাতের প্রভাব ইরাক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।
এদিকে ইরাকে ফরাসি সেনাদের লক্ষ্য করে চালানো এক ড্রোন হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে ইরাকেই যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিমানটিতে থাকা ছয়জন ক্রু সদস্যই নিহত হয়েছেন। তবে মার্কিন বাহিনী দাবি করেছে, শত্রুপক্ষের আক্রমণ বা নিজেদের ভুলের কারণে নয়—কোনো আঘাত ছাড়াই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। বিপরীতে ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীগুলো দাবি করেছে, তাদের হামলার ফলেই এই মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার দিবাগত রাতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ-এ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই হামলায় দ্বীপটির সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি-তে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে, তাহলে ভবিষ্যতে দ্বীপটির জ্বালানি স্থাপনাগুলোকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।