
তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইরান। মার্কিন গণমাধ্যমে ইরান আলোচনার অনুরোধ জানিয়েছে এমন দাবি ওঠার পর তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে তা অস্বীকার করেছে।
দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি এসব প্রতিবেদনের সত্যতা নাকচ করে দিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে তিনি স্পষ্ট করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সংলাপে বসছে না এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার দেশের সশস্ত্র বাহিনী এই যুদ্ধের সূচনা করেনি।
কূটনৈতিক পথে সংকট সমাধানের সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানান, ইরান ইতোমধ্যে দুই দফা কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আলোচনার সময় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার কারণে সেই প্রচেষ্টা ভেস্তে যায়। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও আইএইএ-এর সঙ্গে নতুন করে দুটি আলোচনার আশা তৈরি হলেও তার মধ্যেই দেশটি আবার হামলার মুখে পড়েছে। ফলে চলমান অচলাবস্থার কূটনৈতিক সমাধান আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা এখন অনিশ্চিত।
এদিকে যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, তাদের সামরিক ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অংশীদাররা নিজেদের রক্ষায় আমাদের কাছ থেকে আরও সহায়তা চেয়েছে.... সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে আমাদের ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান আকাশে রয়েছে.... যেগুলো ইতোমধ্যেই সফলভাবে ইরানের হামলা প্রতিহত করছে।”