
বিবাহিত এক জিম ট্রেইনারের সঙ্গে মডেল ও অভিনেত্রী ইসরাত জাহিন আহমেদের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে তীব্র আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। শ্রীলঙ্কায় তোলা কিছু ব্যক্তিগত ছবি অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি আরও বড় আকার নেয় এবং পুরো ঘটনায় নেটিজেনদের মধ্যে চলছে নানা ধরনের মন্তব্য ও বিতর্ক।
গুঞ্জনে যাঁর নাম সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে, তিনি ফিটনেস ট্রেইনার ও মোটিভেশনাল বক্তা আনিসুল ইসলাম ববি। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও পুরোনো পোস্টকে কেন্দ্র করে দাবি করা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো পর্যন্ত সরাসরি কোনো পক্ষই পূর্ণাঙ্গভাবে সব অভিযোগ স্বীকার বা নিশ্চিত করেনি।
অন্যদিকে আনিসুল ইসলাম ববি নিজের অবস্থান জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তা সঠিক নয়। তিনি লেখেন, ‘আমাদের আগেই সেপারেশন হয়েছে এবং আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।’ একই সঙ্গে তিনি গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানান।
ইসরাত জাহিনকে ঘিরেও অনলাইনে চলছে নানা ধরনের মন্তব্য। কেউ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন, আবার কেউ বলছেন এটি নিছকই অতিরঞ্জিত গুঞ্জন এবং ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা জনসমক্ষে টেনে আনা হচ্ছে। তবে এই অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও দাবি উঠেছে, ২০২৪ সাল থেকেই তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার গুঞ্জন শুরু হয় এবং পরে বিষয়টি ধীরে ধীরে পারিবারিক জটিলতা ও আলাদা থাকার পর্যায়ে যায়। পাশাপাশি কিছু ছবি ও ব্যক্তিগত মুহূর্ত অনলাইনে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ঘটনাটিকে ঘিরে আরেকটি বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্যক্তিগত জীবন ও অনলাইনে তাদের তৈরি ইমেজ নিয়ে। নেটিজেনদের একাংশ বলছে, যারা নিয়মিত পরিবার, সম্পর্ক ও নৈতিকতা নিয়ে পরামর্শ দেন, তাদের ব্যক্তিগত জীবনের এই ধরনের গুঞ্জন অনেক প্রশ্ন তৈরি করছে। অন্যদিকে আরেক পক্ষ বলছে, কারও ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে দেওয়া স্পষ্টভাবেই গোপনীয়তার লঙ্ঘন এবং অনলাইন হয়রানি।
সব মিলিয়ে ইসরাত জাহিন ও আনিসুল ইসলাম ববিকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই গুঞ্জন এখন সামাজিক মাধ্যমে অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সত্যতা কতটা, আর কতটা গুজব, সেই প্রশ্নেই এখন বিভক্ত অনলাইন দুনিয়া।