
ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে ২২ সদস্যের ‘বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্স’ গঠন করেছে সরকার। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সভাপতি করে গঠিত এ টাস্কফোর্সে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদেরও রাখা হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে ব্যবসা সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায়ও এ বিষয়ে বিভিন্ন উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছেন। এসব উদ্যোগের অংশ হিসেবেই জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, টাস্কফোর্সের সাত ধরনের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ কমানোর পথনকশা তৈরি এবং এর বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা অন্যতম।
লাইসেন্স, অনুমোদন, ছাড়পত্র, কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ ও স্থানীয় সেবার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ধাপ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়াও টাস্কফোর্সের অন্যতম দায়িত্ব।
এ ছাড়া সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন ও অনলাইন ট্র্যাকিং চালু, আন্তমন্ত্রণালয় ও আন্তসংস্থার জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি, আইন, বিধি ও নীতিমালা সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করা এবং বিনিয়োগকারী ও সেবাগ্রহীতার অভিযোগ, অনিয়ম ও সেবাদানে বিলম্ব তদারক করবে টাস্কফোর্স।
টাস্কফোর্সের কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতি তিন মাস পরপর পর্যালোচনা করা হবে।
টাস্কফোর্সে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন। ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করছেন এফবিসিসিআই, এফআইসিসিআই, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতিরা।
অর্থ বিভাগ টাস্কফোর্সের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে।