
যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে আগ্রহী নয়। তবে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা একটি বড় অর্জন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব শেখ বশিরউদ্দীন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “শুল্ক চুক্তির ফলে মোটমাট ৯০ শতাংশ পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশকে শূন্য শুল্ক সুবিধা দেওয়া হবে। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ কি এই ধরনের সুবিধা পেয়েছে, তা আমি জানি না।”
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর এক লাখ কোটি টাকার বেশি পণ্য রপ্তানি হয়, যার ৮৬ শতাংশ তৈরি পোশাক। মার্কিন প্রশাসন এখন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাকের রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে। শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “এটি বাণিজ্যের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। শুল্ক চুক্তির ফলে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল এবং সুতা রপ্তানি আরও বাড়বে। তবে নির্বাচিত সরকার চাইলে চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগও সংযুক্ত আছে।”
বাণিজ্য উপদেষ্টা রমজান মাসে পণ্যের দাম এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে জানান, “রমজানের বাজার দর দিয়েই জনগণ আমাদের কাজের মূল্যায়ন করবে। সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি কমছে। আমরা এমন পদক্ষেপ নিয়েছি যাতে নির্বাচিত সরকার ভোজ্যতেলের দাম কমিয়ে নিত্যপণ্যের বাজার সহনীয় করতে পারে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার নির্দেশনায় কিছু প্রতিষ্ঠান নিত্যপণ্যের বাজার জিম্মি করেছিল, এবং বর্তমান সরকারের সময় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।