
শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসছে ১৪ জানুয়ারি।
বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই তারিখ নির্ধারণ করেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বেঞ্চ আদেশ দেন। শুনানিকালে জিয়াউল আহসান নিজে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
এদিন রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। আসামিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।
এর আগে ১৭ ডিসেম্বর মামলাটিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়। সেই অভিযোগ উপস্থাপন করে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে আদেশ প্রদান করেন।
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে গত বছরের আগস্টের মাঝামাঝি রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তিনি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার এনটিএমসির মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম, খুন এবং ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত গোপন বন্দিশালায় নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন তার এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে। এসব মামলায় প্রায় ৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ‘অবৈধ সম্পদ’ অর্জন এবং ৩৪২ কোটি টাকার ‘অস্বাভাবিক লেনদেনের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।