
রাজশাহীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যানারে মিছিল ও উসকানিমূলক স্লোগানের ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আরও দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। এ নিয়ে মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি হলো বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে মিছিল করে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ জুন ভোরে বোয়ালিয়া মডেল থানার রানীবাজার টাইলসপট্টি মোড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে সমবেত হন। পরে তারা বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিতে দিতে মিছিল বের করলে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করে বোয়ালিয়া মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে স্থানীয় সাক্ষীদের বক্তব্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং স্থিরচিত্র বিশ্লেষণ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে পুলিশ।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোরে নগরীর সিলিন্দা বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রাজিব শেখকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বোয়ালিয়া থানার বখতিয়ারাবাদ মালদা কলোনি এলাকার মৃত আজিজুল শেখের ছেলে।
একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সপুরা এলাকায় পৃথক অভিযানে বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক তানভীর আহমেদ রাহাতকে আটক করা হয়। রাহাত বোয়ালিয়া থানার সপুরা এলাকার বাসিন্দা মো. আসলামের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া দুজনই সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
আরএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মামলার বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং অজ্ঞাতনামা অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্তে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।