
কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় জেলেদের লক্ষ্য করে একটি সশস্ত্র গ্রুপ গুলিবর্ষণ করেছে। মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে আসা এই সশস্ত্র গ্রুপের হামলার কারণে নাফ নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধে ঘুরতে যাওয়া সাধারণ লোকজনের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।
শনিবার (৩০ মে) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা স্লুইসগেট সংলগ্ন নাফ নদীতে এই ঘটনা ঘটে। ওই এলাকায় বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক জানান, শনিবার বিকেলের দিকে তারা কয়েকজন মিলে হ্নীলা স্লুইসগেট সংলগ্ন সীমান্তের বেড়িবাঁধে ঘুরছিলেন। ছুটির দিন হওয়ায় সেখানে আরও অনেক সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল। এই সময় তারা দেখতে পান, মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্তের দিক থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে একদল সশস্ত্র লোক নাফ নদীতে এসে মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন জেলেকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে জেলেরা নদী থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের হ্নীলা সীমান্তের দিকে চলে আসার সময় তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় সীমান্তের বেড়িবাঁধে ঘুরতে যাওয়া লোকজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে সশস্ত্র গ্রুপটি জেলেদের ফেলে রাখা নৌকা ও মাছ ধরার জাল লুটে নিয়ে পুনরায় মিয়ানমার সীমান্তের ভেতরে চলে যায়।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. এম অনীক চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার বিকেলের দিকে হ্নীলা সংলগ্ন নাফ নদীতে গোলাগুলির একটি ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। এই বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে এবং পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে।