
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন হোসেন ‘যারা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে, তারাই সকল হাট-ঘাট খাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন।
সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার যদুবয়রা-পান্টি সড়কের চৌরঙ্গী বাজার চৌরাস্তায় সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া তার বক্তব্যের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
বক্তব্যে রিপন হোসেন বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরাই বাজার ও ঘাটের ইজারা পাওয়ার অধিকার রাখেন। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনের সময় ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করেননি, অথচ এখন সুবিধা নিতে চাইছেন। তিনি আরও বলেন, কেউ বেশি টাকার জোরে বাজার ইজারা নিলে ‘পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হবে’—এমন হুঁশিয়ারিও দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার বিকেলে রিপন হোসেন বলেন, চৌরঙ্গী সাপ্তাহিক পেঁয়াজ হাটের ইজারার দরপত্র আহ্বান করেছে প্রশাসন। কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দর দিয়ে ইজারা নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করে তিনি দাবি করেন, ছাত্র ও যুবসমাজ যাতে ইজারা নিতে পারে সেজন্যই সতর্কতামূলক বক্তব্য দিয়েছেন।
এদিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুল হাকিম মাসুদ বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যে ইজারা পাবে, সে-ই ভোগ করবে—দলীয় পরিচয় বিবেচ্য নয়। রিপনের বক্তব্য ব্যক্তিগত হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি এ ধরনের বক্তব্য সমর্থন করে না। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।