
ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গড়মিল থাকায় ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাকিম রাজা ও মাইনুল বাকরের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার সকালে যাছাই-বাছাই শেষে মালিকের মনোনয়নপত্র স্থগিতের সিদ্ধান্ত দেন সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রোববার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”
দুটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (তথ্য ও অভিযোগ শাখা, মিডিয়া সেল) তানভীর হোসাইন সজীব।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। গত বছরের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর তিনি দেশে ফেরেন।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় মালিক জানিয়েছেন, তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তিনি ‘স্বশিক্ষিত’ উল্লেখ করেছেন এবং পেশা হিসেবে লিখেছেন ‘কিছুই না’। তবে পেশা শূন্য হলেও মালিকের কাছে উল্লেখযোগ্য নগদ ও বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে।
হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার কাছে বাংলাদেশি দুই লাখ টাকা, ৭১,৭৭৩.৫০ মার্কিন ডলার এবং ৬,৭১০ বৃটিশ পাউন্ড রয়েছে। আয়ের উৎস হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন বাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ভাড়া, যা থেকে বছরে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় হয়। এছাড়া বিদেশে নির্ভশীলরা একই খাত থেকে বছরে ২০ হাজার পাউন্ড আয় করেন।
এম এ মালিকের নিজের নামে রাজধানীর বনানীতে একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। পাশাপাশি গ্রামের বাড়িতে রয়েছে যৌথমালিকানার বাড়ি।