
পৌষের মধ্যভাগে দেশে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) সিরাজগঞ্জে রেকর্ড করা হয়েছে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা কনকনে ঠাণ্ডার প্রকোপ তুলে ধরে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এর আগের দিনও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই মৌসুমে তিন দিন ধরে এই জেলায় তাপমাত্রার নিম্নমুখী ধারা লক্ষ্য করা গেছে।
রাজধানী ঢাকায় ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা নেমে এসেছে। কমে আসা দৃষ্টিসীমার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। তীব্র শীতের কারণে সাধারণ মানুষ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। খেটে খাওয়া মানুষ ও দরিদ্রদের জন্য শীতের দিনগুলো হয়ে উঠেছে বিশেষভাবে কষ্টকর।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও তা যথেষ্ট নয়। শীতাজনিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিশু ও বয়স্কদের ওপর।
ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি ও নৌ চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি, শুক্রবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শিডিউল বিঘ্ন ঘটেছে। অন্তত ৯টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম, কলকাতা ও ব্যাংককে ডাইভার্ট করতে হয়েছে।
এভাবে শীতের প্রকোপে দেশজুড়ে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জরুরি সেবা ও চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।