
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ৪ বিভাগের ৪৮জন শিক্ষার্থীর উপর র্যাগিংয়ের অভিযোগে জরিমানা অথবা বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছিরের স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে এবিষয় জানানো হয়।
এর মধ্যে ১৫ জুলাই র্যাগিংয়ে জড়িত থাকায় আইন বিভাগের ৫ জন, ১৯ আগস্ট র্যাগিংয়ে জড়িত থাকায় মার্কেটিং বিভাগের ১৯জন, ৯ই আগস্ট র্যাগিংয়ে জড়িত থাকায় কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪ জন, এবং ২২ জুলাই জড়িত থাকায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১০জন শিক্ষার্থীকে শাস্তির আওতাভুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ড।
২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক অপরাধের মাত্রানুযায়ী এই শাস্তি আরোপ করা হয়।
এই ৪৮জন শিক্ষার্থী মধ্যে কাউকে ১বছর ও ৬ মাসের বহিষ্কার করা হয়েছে অথবা ২০ হাজার, ১৫ হাজার টাকা ও ১০ হাজার টাকা করেও অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে অভিযুক্ত অনেক শিক্ষার্থীকে।
জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ১ মাস। এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দ্বিগুনহারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে বলে পত্রতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন," মোট ৪৮জন শিক্ষার্থীকে র্যাগিং এর বিষয় পানিশমেন্ট দেওয়া হয়েছে। ডেফিনেটলি পানিশমেন্ট গুলো এমপ্লিমেন্ট করা হবে। আর র্যাগিং এর বিষয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় জিরো টলারেন্স নীতি পলো করছে। এবং প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্টে তদন্ত কমিটির জন্য আমরা চিঠি পাঠিয়েছি এবং তারা আমাদের সাথে কপারেট করছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক ভাবে চারটি ডিপার্টমেন্টে তদন্ত রিপোর্ট দিয়েছে। ওই চার ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্টদের কে আমরা পানিশমেন্টের আওতাভুক্ত করেছি। আর অন্য একটি ডিপার্টমেন্ট তদন্ত রিপোর্টটে স্টুডেন্টের নাম উল্লেখ না করায় আমরা তাদেরকে পুনরায় তদন্ত করার জন্য বলেছি। এবং পুনরায় তদন্ত রিপোর্টে নামসহ জমা দিলে আমরা তাদের কেউও আইনের আওতায় আনবো।"
তিনি আরো বলেন," ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না হওয়ার জন্য আমরা গবেষণা করে দেখা চেষ্টা করছি আশা করা যায় এটা মিটিগেট করতে পারবো আমরা।"