
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনে জামায়াতের প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বিষয়টি পরের অধ্যায়ের। সংসদ চাইলে সবাই মিলে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা অবান্তর এবং এতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
রোববার (১৬ আগস্ট) নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কনফারেন্স রুমে নির্বাচনী কর্তা ও সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
এ সময় বিএনপির প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও সমর্থনকারী ছিলাম আমি। আপনাদের আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষিত হয়েছেন। এখন আমরা অপেক্ষায় থাকব ২০ তারিখে ভোটের জন্য।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৭০ অনুচ্ছেদকে বড় অন্তরায় হিসেবে জামায়াত জোটের দাবির বিষয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বড় বাধা কি বাধা না—আমাদের প্রচলিত সংবিধান অনুযায়ী আমাকে পথ চলতে হবে। সেই সংবিধানে যেখানে বাধা আছে, সেই বাধা অতিক্রম করার জন্য আমাকে সংসদ থেকে সংশোধন করতে হবে। এর বাইরে না। রাস্তাঘাটে বলে লাভ নেই।’
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিষয়ে জামায়াতের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘এটা পরের চ্যাপ্টার। সংসদ যদি বিবেচনা করে সবাই মিলে, এটা হতে পারে। এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে এই প্রশ্নটা অবান্তর এবং কনফিউশন সৃষ্টি করার মতো।’
এদিকে বিএনপির মহাসচিব কে হবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে দলের স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘দলের মহাসচিবকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চিন্তাভাবনা নয়, ওটা গুলশান অফিসে আমাদের স্থায়ী কমিটির চিন্তাভাবনা।’