
আন্ধ্রপ্রদেশের কোমারলুতে চোরের সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম অভিবাসী শ্রমিক মঞ্জুর আলম লস্করকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবার দাবি করেছে, হত্যার আগে তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণও চাওয়া হয়েছিল।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে। নিহত মঞ্জুর আলম লস্কর দক্ষিণ ২৪ পরগনার মাগরাহাট পশ্চিম এলাকার রঙ্গিলাবাদ গ্রামের বাসিন্দা এবং আন্ধ্রপ্রদেশের কোমারলুর একটি জারি কারখানায় কাজ করতেন।
মঞ্জুরের পরিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার অজানা নম্বর থেকে মুক্তিপণ দাবি করে ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয় এবং না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে অনলাইনে ৬ হাজার টাকা পাঠানো হলেও, পরদিন তারা মঞ্জুরের মৃত্যুর সংবাদ পান।
এই হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে ঝাড়খণ্ডে বেলদাঙার আলাউদ্দিন শেখ নামে আরও এক পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিককে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনার কারণে বেলদাঙায় রেললাইন ও জাতীয় সড়ক-১২ অবরোধ করা হয়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “প্রতিটি বিজেপি-শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের ওপর বর্বর নিপীড়ন, হয়রানি ও সহিংসতা চলছে।” তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যার সঙ্গে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা জড়িত।
এদিকে ওড়িশায় অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর হামলার প্রেক্ষিতে কংগ্রেসের সাবেক পশ্চিমবঙ্গ সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্প্রতি সাম্বলপুর পরিদর্শন করেছেন।