
বরিশাল-৩ (মুলাদী–বাবুগঞ্জ) আসনে ১০ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের নির্বাচনী প্রচারণায় যুবদলের বাধা, হামলা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা মুলাদীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় মুলাদী উপজেলার ঈদগাহ ময়দান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘ফুয়াদ ভাইয়ের কর্মীদের ওপর হামলা কেন, তারেক রহমান জবাব চাই’ স্লোগান দিতে শোনা গেছে।
হামলায় আহত জামায়াত নেতা মো. আরিফ হোসেন অভিযোগ করেন, ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ঈগল প্রতীকের পক্ষে ফুয়াদের নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক মুলাদী পৌর যুবদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। তিনি দাবি করেন, ধাওয়া দিয়ে মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সফিকুল ইসলাম শাওন হাওলাদার, আরিফুর রহমান টিটু, মিন্টু বেপারীসহ অর্ধশতাধিক যুবদল কর্মী জড়িত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে ব্যারিস্টার ফুয়াদের পক্ষে ঈগল প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। নেতৃত্ব দেন জামায়াতে ইসলামী মুলাদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আরিফ বয়াতি। এই সময় যুবদলের মুলাদী পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক সাওন হাওলাদার ও তার অনুসারীরা এসে ১০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের বাধা দেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও সংঘর্ষ ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলার সময় আরিফ বয়াতিকে মারধর করা হয় এবং তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একাধিক কর্মী আহত হন। নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় শুক্রবার সন্ধ্যায় মুলাদী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুলাদী পৌরসভার চর টেকি এলাকায় পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা কিল, ঘুষি ও লাঠি ব্যবহার করে নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করার চেষ্টা করেছে। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
মুলাদী থানার ওসি আরাফাত জাহান চৌধুরী বলেন, “এ ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”