
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অফশোর অনুসন্ধান ও সবুজ বিনিয়োগে নরওয়ের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত, প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ এবং সিস্টেম লস কমাতে পাওয়ার অডিটিংয়ে দেশটির কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা চেয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি রোডম্যাপ বাস্তবায়নে প্রযুক্তি, দক্ষতা ও অর্থায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নরওয়ের সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অফশোর অনুসন্ধান ও সবুজ বিনিয়োগে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও জোরদারের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং সিস্টেম লস কমাতে পাওয়ার অডিটিংয়ে নরওয়ের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী। এ ছাড়া অফশোর বিডিংয়ে নরওয়ের কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ, সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নরওয়েজীয় বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকার রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নরডিক দেশগুলোর আরও সক্রিয় অংশগ্রহণকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।
রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন বাংলাদেশে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা বাড়াতে নরওয়ের আগ্রহের কথা জানান। বিশেষ করে অফশোর নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে নরওয়ের দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।