
দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনার বিষয়ে ভারতের দেওয়া ব্যাখ্যা গ্রহণ না করলেও ‘বিমসটেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডভাইজার্স মিটিং’-এ অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ১৬ জুলাই ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তাদের ভাষ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। সে কারণে এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করা দেশের দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতার অংশ।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামসুল ইসলাম। তার সফরের বিষয়টি ইতোমধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি ডা. জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসতে হওয়া নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, বাংলাদেশ তা সন্তোষজনক বলে মনে করেনি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তবে তারা বলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামসুল ইসলামের দিল্লি সফরের সময় আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রীতি ও রাষ্ট্রাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করে কি না, তা বাংলাদেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, প্রতিনিধি দলের সফর উপলক্ষে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক সৌজন্য নিশ্চিত করার বিষয়েও ভারত সরকারকে অবহিত করা হয়েছে।
তাদের মতে, এ সফরে ভারতের আচরণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের সফর এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হিসেবে মূল্যায়িত হবে।