
ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেন, কেউ আবার কঠোর ডায়েট অনুসরণ করতে গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়েন। অথচ দীর্ঘমেয়াদে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য না খেয়ে থাকা নয়, বরং সুষম খাবার, পরিমিত খাওয়ার অভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে খাবারের প্লেট সাজানো থেকে শুরু করে খাওয়ার পর হাঁটা—কয়েকটি সহজ অভ্যাস বাড়তি মেদ কমানোর প্রচেষ্টায় সহায়ক হতে পারে।
পুষ্টিবিদ কৃতি ঠাকরের পরামর্শ অনুযায়ী, দৈনন্দিন জীবনে পাঁচটি অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে। তবে ওজন কমার ফল ব্যক্তি, খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক অবস্থাভেদে ভিন্ন হতে পারে।
চা-কফিতে বাড়তি চিনি, চিনিযুক্ত কোমল পানীয়, শরবত ও আইসক্রিম থেকে অজান্তেই শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি প্রবেশ করতে পারে। তাই এসব খাবার ও পানীয়ের পরিমাণ কমানো জরুরি। চিনিযুক্ত পানীয়ের বদলে সাধারণ পানি বেছে নেওয়া যেতে পারে।
মিষ্টি পানীয়তে প্রচুর ক্যালরি থাকলেও তা অনেক সময় শক্ত খাবারের মতো পেট ভরা অনুভূতি দেয় না। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণের ঝুঁকি থাকে। তাই তৃষ্ণা মেটাতে সাধারণ পানি পান করুন। ঠান্ডা পানি নিজে ওজন বাড়ায় না; মূল বিষয় হলো পানীয়তে চিনি ও ক্যালরির পরিমাণ।
প্রতিদিনের খাবারে সবজি, প্রোটিন ও শর্করার মধ্যে ভারসাম্য রাখা প্রয়োজন। একটি সহজ পদ্ধতি হলো প্লেটের অর্ধেক সবজি, চার ভাগের এক ভাগ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার এবং বাকি চার ভাগের এক ভাগ ভাত, রুটি বা অন্য শর্করাজাতীয় খাবার রাখা।
মাছ, ডিম, মুরগির মাংস, ডাল ও পনির থেকে প্রোটিন পাওয়া যায়। পাশাপাশি লাল চাল, ওটস ও ডালিয়ার মতো আঁশসমৃদ্ধ খাবার এবং পর্যাপ্ত শাকসবজি পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। বাদাম ও উদ্ভিজ্জ তেলের মতো স্বাস্থ্যকর চর্বিও পরিমিত পরিমাণে খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।
খাবার সাম