
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। তবে বর্তমানে দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে নেই এবং আপাতত ক্রিকেটেই মনোযোগ দিচ্ছেন।
একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, দলীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ থাকবে। তার ভাষায়, রাজনীতি দীর্ঘ সময় ধরে করা সম্ভব হলেও ক্রিকেট ক্যারিয়ার সীমিত—তাই আপাতত খেলাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলে ভালো লাগে এবং সেই ইচ্ছা এখনো তার মধ্যে রয়েছে।
গত দুই বছর ধরে দেশে ফিরতে না পারার প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, দেশের জন্য তার টান সবসময়ই কাজ করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হলে তিনি শিগগিরই দেশে ফিরতে পারবেন।
বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি হতাশাজনক। তার মতে, সে সময় সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং এ বিষয়ে ক্রিকেট বোর্ডের কিছু করার ছিল না।
মাঠের ক্রিকেট কতদিন চালিয়ে যাবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব জানান, খেলাটির প্রতি তার আগ্রহ এখনো অটুট। যেদিন মনে হবে আগ্রহ কমে গেছে, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াবেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি নীরব থাকায় অনেক ভক্ত ও সাধারণ মানুষের সমালোচনার মুখে পড়েন। অভ্যুত্থানের পরও তার দেশে ফেরা নিয়ে কিছু মহলের আপত্তি দেখা যায়।