
অটোরিকশার অবাধ চলাচলের কারণে রাজধানীর স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় অটোরিকশাকে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ঢাকার সড়কে অটোরিকশার সংখ্যা ও চলাচল অনেক বেড়ে গেছে। ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য প্রণীত নীতিমালার আলোকে প্রধান সড়কগুলোতে এসব যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
দীর্ঘদিন ধরে অনেক মানুষ এই পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তাদের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে বলেও স্বীকার করেন তিনি। তবে বৃহত্তর নগরস্বার্থে বিদ্যমান অব্যবস্থাপনা থেকে বের হয়ে আসতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে বলে মন্তব্য করেন শেখ রবিউল আলম।
কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে শৃঙ্খলা ফেরানোর পরিকল্পনা
মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অটোরিকশা বর্তমানে যেভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচল করছে, তা বন্ধ করতে একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
তবে এ কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অযথা ক্ষতির মুখে ফেলা হবে না বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় পুরো ঢাকা শহরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী।
ধানমন্ডি লেক সংস্কার, জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৫০ কোটি
ধানমন্ডি লেকের সংস্কারকাজ শেষ হলে সেখানে আধুনিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হবে বলে জানান শেখ রবিউল আলম। পরিবেশ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দুটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
লেকের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে সেখানে ময়লা না ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি নিজ শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব পালনে নাগরিকদের আরও সচেতন হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
বর্ষাকালে ঢাকার জলাবদ্ধতাকে নগরীর অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে।