
আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, যা শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা উদঘাটনে নতুন দিগন্ত খুলবে।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ক্রীড়াভাতা প্রদান ও আন্তর্জাতিক পদকজয়ী খেলোয়াড়দের ক্রীড়া কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণমূলক অনুষ্ঠান ‘নতুন কুঁড়ি’ ১৯৭৬ সালে শুরু হয়েছিল, যা কিছু বছর বন্ধ থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশ টেলিভিশনে পুনরায় চালু হয়েছে। এবার অনুষ্ঠানটির ক্রীড়া সংস্করণ ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ হিসেবে সিলেট থেকে শুরু হয়ে পুরো দেশে বিস্তৃত হবে।
তিনি আরও বলেন, “ক্রীড়া এখন কেবল শখ বা বিনোদনের বিষয় নয়, বরং পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে যে, যেসব খেলোয়াড় তাদের পছন্দের খেলায় মনোযোগ দিয়ে পারফর্ম করবেন, তারা অর্থনৈতিকভাবে নিরাপদ থাকবেন।”
এবারের কার্যক্রমে শিশু-কিশোররা ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, বাস্কেটবল, অ্যাথলেটিকস, টেবিল টেনিসসহ বিভিন্ন খেলার মাধ্যমে প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। সরকার ধাপে ধাপে দেশজুড়ে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় আনতে চায়, যাতে পারফরম্যান্স অনুযায়ী ধারাবাহিক ভাতা ও পুরস্কার প্রদান করা যায়।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, “দেশের খেলোয়াড়রা যাতে পেশাদার হিসেবে স্বচ্ছন্দে খেলা চালাতে পারেন এবং নিজের ও পরিবারের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারেন, সেই লক্ষ্যে সরকার প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামা বাস্তবায়ন করছে।”
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে শারীরিক সুস্থতা, নেতৃত্বের গুণাবলী ও দলগত মনোভাব বিকাশের পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার সুযোগ তৈরি হবে।