
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে গিয়ে বিধিমালার জটিলতায় মনোনয়ন হারালেন জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী মনিরা শারমিন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব মঈন উদ্দীন খান তার মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, ‘সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো।’
তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মনির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আসনটি শূন্য হওয়ার পরে সব দল/জোটের জন্য উন্মুক্ত হবে।’
এর আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে চাকরি সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দিতে সময় দিয়ে তার মনোনয়ন যাচাই কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিল। তাকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছিল।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চে তিনি এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হন। এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার (জেনারেল) পদে যোগ দেন এবং প্রায় দুই বছর চাকরি করার পর গত ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসর নেওয়ার তিন বছর পূর্ণ না হলে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হন।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, বুধ ও বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। আপিল নিষ্পত্তির পর ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।