
পররাষ্ট্রসচিবসহ দিল্লি, নিউইয়র্ক, লন্ডন ও জেনেভার মতো গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনে সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে মুখ খুলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন ও রদবদল একটি স্বাভাবিক এবং চলমান প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক রদবদলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চেঞ্জ হবে, রদবদল হবে, নতুন লোক আসবে। সেটা তো চলমান প্রক্রিয়া। এটা তো কোনো নতুন কিছু না। যখন সরকারের থেকে একটা আপনাদের স্টেটমেন্ট যাবে, সরকার থেকে প্রকাশ হবে, তখনই আপনারা জানতে পারবেন কেন, কোথায়, কীভাবে, কোন কারণে রদবদল হচ্ছে। কিন্তু এটা চলমান প্রক্রিয়া।
রদবদলের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘না না, বিএনপি করা বা কোনো... অবশ্যই বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে, আপনি যদি প্রধানমন্ত্রীর কাজকর্মগুলো ফলো করেন, উনার সিদ্ধান্তগুলো ফলো করেন– প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ, ফার্স্ট আই থিংক উনি ইমপর্টেন্স দেন কাজকে, এফিশিয়েন্সিকে (দক্ষতাকে)। কে কতটুক কাজে পারদর্শী, কে কতটুক আন্তরিকভাবে দেশের জন্য কাজ করতে পারছে। তো দেশের জন্য, দেশের প্রতি যার আন্তরিকতা আছে, সেটাই যেকোনো মন্ত্রণালয়ে, এটা শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলে কথা না।’
তিনি আরও বলেন, যেকোনো মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, কাজের প্রতি উৎসর্গ, দক্ষতা এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, যেকোনো মন্ত্রণালয়ে দেশের প্রতি ভালোবাসা, দেশের প্রতি আন্তরিকতা, কাজের প্রতি ডেডিকেশন (উৎসর্গ) এবং এফিসিয়েন্সি, কাজটি করতে ব্যক্তিটি পারদর্শী কিনা, কাজটি পারে নাকি, এবং তার যোগ্যতা। ফার্স্ট অ্যান্ড ফরমোস্ট তার যোগ্যতা। এগুলোর বিচারেই যেকোনো মন্ত্রণালয়ে আমাদের রদবদল হয়। এবং এটা চলমান প্রক্রিয়া, যখন ফাইনাল হবে, যখন সরকারের পক্ষ থেকে গ্যাজেট প্রকাশ হবে, তখন আপনারা জানতে পারবেন।