
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে তুলে ধরেছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও যুক্ত করেছে।
হংকংভিত্তিক চীনা মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট তাদের প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ঘটনাকে শেখ হাসিনার নির্বাসন থেকে ফেরার ঘোষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে উপস্থাপন করেছে। শিরোনামে তারা লিখেছে, ‘বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ, নির্বাসন থেকে ফেরার আগে একা হয়ে গেলেন হাসিনা’।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হলেও তার সরকারের সময় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনের শিরোনামে লিখেছে, ‘বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম’।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করেছে। তাদের শিরোনাম ছিল, ‘শেখ হাসিনার মিত্র বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করছেন’।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার শিরোনাম করেছে, ‘স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ’।
ভারতের সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন’।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য নিউইয়র্ক টাইমস তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ‘সাবেক নেতা শেখ হাসিনার ফেরার অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলেন’।
এ ছাড়া আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। অধিকাংশ সংবাদমাধ্যমই বিষয়টিকে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে তুলে ধরেছে।
তথ্যসূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, রয়টার্স, বিবিসি, দ্য স্টার, নিউজ১৮, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস