
ইরানের পশ্চিম-মধ্যাঞ্চলের হামাদান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার দাবি উঠেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামাদানের কাবুদারাহাং এলাকায় কয়েকটি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
বুধবার, ২২ জুলাই ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাদান প্রদেশের উপ-গভর্নরের তথ্য অনুযায়ী, কাবুদারাহাংয়ের কয়েকটি স্থাপনা হামলার লক্ষ্যবস্তু হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি সেবা ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সামরিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামলার অভিযোগ নিয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ত।
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি বহাল থাকলে তেহরান অনেক আগেই পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা অর্জন করত।
ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘আমরা যদি সেই চুক্তি বাতিল না করতাম, তাহলে আজ ইসরায়েল থাকত না। কারণ ইরান বহু বছর আগেই পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত।’