
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন আং হ্লেইংকে দেশটির পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) নতুন সংসদ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এটি ‘সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন, কারণ গত সাধারণ নির্বাচনে মূল বিরোধী দলগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
সংসদে প্রস্তাবিত প্রতিদ্বন্দ্বী দুজনই জেনারেলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, তাই জয়ের সম্ভাবনা নেই।
মিন আং হ্লেইং রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে সেনা থেকে পদত্যাগ করবেন, তবে সামরিক বাহিনীর উপর তার পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই সম্পন্ন। তার স্থলে সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঘনিষ্ঠ জেনারেল ইয়েউইনও। এছাড়া একটি নতুন শক্তিশালী ‘পরামর্শক কাউন্সিল’ গঠন করা হয়েছে, যা তাকে সামরিক ও বেসামরিক উভয় খাতে নজরদারি চালানোর সুযোগ দেবে।
২০১৯ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে মিন আং হ্লেইং পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছেন। অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটি গৃহযুদ্ধ এবং সহিংসতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের নতুন প্রশাসন মূলত সামরিক সরকারের বর্ধিত সংস্করণ, যা nominal ভাবে বেসামরিক আঙ্গিক ধারণ করেছে। সরকারের তরফ থেকে বিরোধীদের ওপর চলমান দমননীতি বা সহিংসতা থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত এখনও পাওয়া যায়নি।