
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে নিজের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হামলার শিকার হন। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে ‘নিজ দায়িত্ব পালন করার সময়’ হত্যা করা হয়েছে।
এ হামলায় খামেনির পরিবারের সদস্যরাও প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ফার্সের বরাতে আল জাজিরা জানায়, বিমান হামলায় তার মেয়ে, জামাতা ও নাতি নিহত হয়েছেন।
ঘটনার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনির মৃত্যুর দাবি করেন। বাংলাদেশ সময় রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত।’
এর আগে শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি খামেনির প্রাসাদকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায়। হামলার ফলে প্রাসাদটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।