
চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি করা চকলেট ও ওয়েফারের একটি চালানে ঘোষণার তুলনায় বেশি পণ্য পাওয়ার ঘটনায় প্রায় ১৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব, জরিমানা ও অর্থদণ্ড আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এ তথ্য জানান।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা রেইনবো করপোরেশনের আমদানি করা একটি পণ্যচালানে কায়িক পরীক্ষা চালান। পরীক্ষায় ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের পরিমাণে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সি-1138706 নম্বরের ওই চালানটি গত ৫ জুলাই দাখিল করা বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে আমদানি করা হয়। কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে চকলেট ও ওয়েফার বেশি রয়েছে।
পরীক্ষায় আমদানিকারক চকলেটের পরিমাণ ৬ হাজার ৭০৪ দশমিক ৫৬ কেজি ঘোষণা করলেও বাস্তবে পাওয়া যায় ৭ হাজার ১৩২ দশমিক ২৫ কেজি। একইভাবে ওয়েফারের ঘোষিত পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৭২ দশমিক ১৬ কেজি, যেখানে পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ দশমিক ৮৮ কেজি।
অধিদপ্তর জানায়, পুরো চালানে ঘোষণার বাইরে অতিরিক্ত ৫৪০ দশমিক ৪১ কেজি পণ্য পাওয়া গেছে। যা ঘোষিত নিট ওজনের তুলনায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক ও কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং পণ্য খালাসের জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে ওই চালান থেকে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা অতিরিক্ত রাজস্ব, জরিমানা ও অর্থদণ্ড হিসেবে আদায় করেছে।